সারা বাংলা

সাভারে প্রথম ধ্যান মন্দিরের শুভ উদ্বোধন

ধ্যানের মাধ্যমে উদ্বেগ, বিষণ্ণতা ও অনিদ্রা দূর করা সম্ভব

তাজা খবর: ঢাকা জেলার সাভার উপলোর পৌর এলাকার নামাবাজার সংলগ্ন শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ ও পঞ্চবটী আশ্রমে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য প্রথম ধ্যান মন্দিরের শুভ উদ্বোধন হল আজ। সোমবার (৬ এপ্রিল) ধ্যান মন্দিরের উদ্দোক্তা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল “তাজা খবর” এর সম্পাদক ও প্রকাশক তপু ঘোষাল আশ্রম কমিটির সভাপতি বাবু দ্যৈনাথ সাহা, সাধারণ সম্পাদক কাঞ্চন ঘোষ, সহ-সাধারণ সম্পদক তাপস চক্রবর্তী, দপ্তর সম্পাদক বিকাশ ঘোষ, সদস্য পলাশ সাহাসহ অন্যান্যদের সাথে নিয়ে আজ ভোর ৬ টায় ধ্যানের মাধ্যমে ধ্যান মন্দিরটি উদ্ধোধন করেন।

ধ্যান মন্দিরের উদ্দোক্তা তপু ঘোষাল বলেন, দীর্ঘ্যদিন আমাদের পঞ্চবটী আশ্রমের এই মন্দিরটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল। তবে আমাদের মন্দির কমিটি এটা ভেঙ্গে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আমি শুনে এই পুরানো মন্দিরটি ভাঙ্গার পরিবর্তে সংস্কার এর উদ্যোগ গ্রহন করি এবং ধ্যান মন্দির করার সিদ্ধান্ত নেই। পরে আমার সাথে অনেকেই একাত্মা প্রকাশ করে। পরে নিজেই মন্দিরে ভিতরে জমে থাকা পুরানো ময়লা পস্কিার করে, ধুয়ে মুছে ছাপ করেছি। মনকে শান্ত, একাগ্র ও সচেতন করার একটি প্রাচীন পদ্ধতি হল ধ্যান। যা মানসিক চাপ কমিয়ে আত্মসচেতনতা বৃদ্ধি করে। গভীর বিশ্রামের মাধ্যমে মনের অস্থিরতা দূর করে এবং ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি করে। নিয়মিত ধ্যানের মাধ্যমে উদ্বেগ, বিষণ্ণতা ও অনিদ্রা দূর করা সম্ভব। প্রতিটি মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৫-১০ মিনিট নিয়মিত ধ্যান করা প্রয়োজন।

মন্দির কমিটির সভাপতি বাবু বদ্যৈনাথ সাহা বলেন, তপুকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। তপুর কারণে সাভারের তীর্থক্ষেত্র সাভার পঞ্চবটী আশ্রমে একটি ধ্যানের মন্দির হল। আমি নিজেও প্রতিদিন আন্তত দু’বেলা ধ্যান করতে চেষ্টা করব।

মন্দরি কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাঞ্চন ঘোষ বলেন, তপু যে কাজটি করেছে তাতে আমি সাধুবাদ জানাই। মন রিফ্রেস করার জন্য আমাদের প্রতিটি মানুষেরই ধ্যান করা প্রয়োজন। মন্দিরে ধ্যান করার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধ্যান মন্দিরটি সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য উন্মুক্ত। তবে মন্দিরটি দু’ইবেলা ধ্যান করার জন্য খোলা থাকবে।

মন্দির কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক তাপস চক্রবর্তী বলেন, তপু আমার ভাগিনা ওর পাগলামীকে আমি সাধুবাদ জানাই। সাভারে একটা ধ্যান মন্দিরের প্রয়োজন ছিল। যা তপুর উদ্যোগে হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button