শিক্ষা ও সংস্কৃতি

সারাদেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

নীতিমালা অনুযায়ী ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ-এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি

তাজা খবর: প্রায় দেড় যুগ বিরতির পর শুরু হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে শুরু হচ্ছে এই পরীক্ষা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরীক্ষার রুটিন ও পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এতে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বিশেষ নির্দেশনা এবং পরীক্ষা চলাকালীন আচরণবিধি কী হবে তা জানানো হয়েছে

সবশেষ ২০০৮ সালে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরে ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালু করা হলে তার ফলাফলের ভিত্তিতেই বৃত্তি প্রদান করা হতো।

এবারের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী ১৫ এপ্রিল বাংলা, ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তবে তিন পার্বত্য জেলা- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পরীক্ষার সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন রাখা হয়েছে। এসব জেলায় ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত, ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান, ১৯ এপ্রিল বাংলা এবং ২০ এপ্রিল ইংরেজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময় অপরিবর্তিত থাকবে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ-এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেওয়া হবে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীদের সমানুপাতিক হারে, অর্থাৎ ৫০ শতাংশ করে নির্বাচন করা হবে। এছাড়া মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বাকি ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রবেশপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং মোবাইল ফোন বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। উত্তরপত্র যথাযথভাবে পূরণ, ইনভিজিলেটরের স্বাক্ষর নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের আগে হল ত্যাগ না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া পরীক্ষা কক্ষে কোনো ধরনের কথাবার্তা, প্রশ্নপত্র বিনিময় বা অননুমোদিত উপায়ে সহায়তা নেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে ইনভিজিলেটরের কাছে উত্তরপত্র জমা দিয়েই পরীক্ষার্থীদের হল ত্যাগ করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button