সাইবার ক্রাইম মোকাবিলায় পুলিশকে দক্ষ হতে হবে: আইজিপি
বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে
তাজা খবর: প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, সাইবার ক্রাইম এবং জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় পুলিশ কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। একই সঙ্গে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেয়া এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনের শাসন সমুন্নত রাখাকে পুলিশের নৈতিক কর্তব্য বলে উল্লেখ করেছেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমির প্যারেড মাঠে ৪১তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টরদের (এসআই) প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নবীন পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে সবসময় আধুনিক ও আপডেটেড রাখতে হবে।’
জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাই হলো বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতা দিয়ে তোমাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেয়া তোমাদের নৈতিক কর্তব্য।’
অনুষ্ঠানে আইজিপি আলী হোসেন ফকির প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। প্যারেড পরিদর্শন শেষে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী নবীন কর্মকর্তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
এক বছর মেয়াদি এই প্রশিক্ষণে বেস্ট একাডেমিক হিসেবে ক্যাডেট ইজাজ আহম্মেদ হিমেল, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজে শিক্ষানবিশ ক্যাডেট ওলিউল্লাহ, বেস্ট শুটার হিসেবে শুভ বিশ্বাস এবং বেস্ট সুইমার হিসেবে রায়হান পদক গ্রহণ করেন। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল অ্যাডিশনাল আইজিপি জি এম আজিজুর রহমান।
সারদা পুলিশ একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, ৪১তম ক্যাডেট এসআই ব্যাচের এই সমাপনী কুচকাওয়াজে ৫ জন নারী কর্মকর্তাসহ মোট ২০৯ জন শিক্ষানবিশ ক্যাডেট অংশ নেন। তারা ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে সারদায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলেন। বুধবার সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে তাদের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষ হলো। এরপর দুই বছরের বাস্তব প্রশিক্ষণের জন্য তারা বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে পদায়িত হবেন।



